কবিতা

ভালোবাসার ছোট কবিতা (Valobashar Kobita) 2023

সম্মানিত পাঠক আপনাদের সবাইকে আমাদের ওয়েবসাইটের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানিয়ে শুরু করছি আমাদের আজকের নতুন কবিতা সম্পর্কিত পোস্টটি। আজকের এই পোস্টটিতে আমরা আপনাদের মাঝে ভালোবাসার ছোট কবিতা গুলো তুলে ধরেছি। কেননা প্রতিটি মানুষের ব্যক্তিগত জীবনে ভালোবাসার অনুভূতি রয়েছে এবং এটি মানুষের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাইতো কবি সাহিত্যিক গ্রন্থের ব্যক্তিগত জীবনের এই ভালোবাসার অনুভূতিগুলো কবিতার মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। এজন্যই আমরা আজকে আপনাদের মাঝে ভালোবাসার ছোট কবিতা গুলো তুলে ধরব। যেগুলো ছোট ছোট ছন্দের মাধ্যমে আপনারা প্রিয় মানুষের কাছে ভালোবাসার অনুভূতিগুলো সহজে প্রকাশ করতে পারবেন। আমরা আজকে আপনাদের জন্য আমাদের আজকের আর্টিকেলটিতে ভালোবাসার কবিতা গুলোর মাধ্যমে সুন্দরভাবে সাজিয়েছি। আশা করছি এই আর্টিকেলটি আপনাদের সকলের পছন্দ হবে।

ভালোবাসার কবিতা বলতে মূলত সেই সব কবিতাকে বোঝায় যে কবিতা গুলোর প্রতিটি ছন্দে ছন্দে ভালোবাসার অনুভূতি প্রকাশ করা হয়। পৃথিবীতে প্রতিটি মানুষের মনের মাঝে ভালোবাসার অনুভূতি রয়েছে সে কবি হোক জ্ঞানী গুণীজন হোক তারা প্রত্যেকেই ব্যক্তিগত জীবনে প্রিয় মানুষের প্রতি ভালোবাসার অনুভূতিগুলো প্রকাশ করেছিলেন। তাইতো প্রতিটি মানুষ নিজেদের মতো করে নিজের ভালোবাসার অনুভূতিগুলো সকলের মাঝে তুলে ধরেছেন। জ্ঞানী গুণীজনদের উক্তি এবং বাণী গুলোর মাধ্যমে আমরা যেমন ভালোবাসার অনুভূতিগুলো জানতে পারি তেমনি কবি সাহিত্যিকদের ভালোবাসার কবিতার মাধ্যমে আমরা তাদের ব্যক্তিগত জীবনের ভালোবাসার অনুভূতিগুলো কবিতার ভাষায় জানতে পারি। এই কবিতা গুলো আমাদের ব্যক্তিগত জীবনে ভালোবাসার অনুভূতিগুলো প্রকাশ করতে এবং এই অনুভূতিগুলোর গুরুত্ব তুলে ধরতে সাহায্য করে। তাইতো এখন অনেকেই কবিতা গুলোর মাধ্যমে নিজের ব্যক্তিগত জীবনে প্রিয় মানুষের কাছে ভালোবাসার অনুভূতিগুলো প্রকাশ করে থাকেন।

ভালোবাসার ছোট কবিতা

প্রতিটি মানুষের ব্যক্তিগত জীবনের একটি সুন্দর অনুভূতির নাম হচ্ছে ভালোবাসা। যা মানুষের জীবনের মানুষকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এই ভালোবাসার অনুভূতিগুলো প্রতিটি মানুষের মাঝে সুন্দর ভাবে তুলে ধরার জন্য অনেক কবিতাদের জীবনে ভালোবাসার ছোট বেশ কিছু কবিতা লিখেছেন। এই কবিতা গুলো প্রতিটি ছন্দে তারা পাঠকদের উদ্দেশ্যে ভালোবাসা অনুভূতি গুলো তুলে ধরেছেন এছাড়া এই কবিতা মানুষের জীবনে ভালোবাসার মানুষটির কাছে ভালোবাসার অনুভূতি শেয়ার করতে সাহায্য করে। এজন্য আমরা আপনাদের মাঝে আজকে ভালোবাসার ছোট কবিতা গুলো তুলে ধরেছি। আজকের এই কবিতাগুলো আপনি আপনার প্রিয় মানুষের কাছে ভালোবাসার অনুভূতি প্রকাশ করতে ব্যবহার করতে পারবেন। নিচে ভালোবাসার ছোট কবিতা গুলো তুলে ধরা হলো:

শোনো, কাজল চোখের মেয়ে
আমার দিবস কাটে, বিবশ হয়ে
তোমার চোখে চেয়ে।দহনের দিনে, কিছু মেঘ কিনে
যদি ভাসে মধ্য দুপুর
তবু মেয়ে জানে, তার চোখ মানে
কারো বুক পদ্মপুকুর।এই যে মেয়ে, কজল চোখ
তোমার বুকে আমায় চেয়ে
তীব্র দাবির মিছিল হোক।তাকাস কেন?
আঁকাস কেন, বুকের ভেতর আকাশ?
কাজল চোখের মেয়ে
তুই তাকালে থমকে থাকে
আমার বুকের বাঁ পাশ।

তোমার চোখ চেয়েছি বলে, এমন ডুবল আমার চোখ
অমন অথৈ জ্বলে রোজ, আমার ডুব সাঁতারটা হোক।
শোনো কাজল চোখের মেয়ে, আমি তোমার হব ঠিক
তুমি ভীষণ অকূল পাথার, আমি একরোখা নাবিক।
শোনো, জ্বল ছল ছল কাজল চোখের কন্যা সর্বনাশী,
আমি তোমায় ভালোবাসি।
জল জমে থাকা কাচে
জ্বর হয়ে থাকা আঁচে
তুমিও থাকো অসুখের মতো
কী ভীষণ ছোঁয়াচে!
এমন জলের রাতে নদী হই যদি
যদি—তোমাকে জমা রাখি বুক অবধি।
আধারের রং ছুঁয়ে তুমিও খানিক
আমায় জমিয়ে রেখো বুকের বাঁ দিক।
একটা তোমার মতো চাঁদের জন্য মেয়ে
আমি জোছনা সকল হেলায় ভুলে থাকি।
একটা তোমার মতো মনের জন্য মেয়ে
আমি হৃদয়টাকে যত্নে তুলে রাখি।
আমাদের এই দেখা সময়ের ভুল
তবু বুক ব্যথা-ভার, চক্ষু আকুল।
ততটুকু দিতে নেই
যতটুকু দিলে অচেনা মিছিলে
হারাবে নিজেকেই।
কিছুটা নিজেরও থাক
নিখোঁজ খবর- ছাপা পত্রিকা
ঠিকানাটা খুঁজে পাকা।
ততটুকু হোক দেনা
যতটুকু হলে, ফিরে আসবার
পথটুকু থাকে চেনা।
আবার যখন দেখা হবে, খানিক যদি থমকে যাই
বেলিফুলের গন্ধে কোথাও, একটুখানি চমকে যাই।
তাকিও তখন চোখ
হাসিমুখের বুকের ভেতর কে কেঁপে যায় শোকে!
তোমার একটা নাম থাকুক আমার দেয়া
মেঘের মেয়ে, নদী কিংবা জলজ খেয়া
আমার দেয়া একখানা নাম তোমার থাকুক
না হয় আমি হারিয়ে গেলেও
একলা একা সন্ধা তারা
সেই নামেই তোমায় ডাকুক।
তোমার জন্য কাপছে কেন মন
কাঁদছে কেন শূণ্য চোখের কোণ?
তোমার জন্য বুকের গহিন জুড়ে
আমার সময় নিঃশব্দ, নির্জন।
এলোকেশী মেয়ে কার পথ চেয়ে, মেলেছিলে ঐ কেশ?
পথ চাওয়া শেষে, এসেছিল কী সে? ছুয়ে মেঘ অনিমেষ।
এলোকেশী মেয়ে, মেঘবেলা ধেয়ে, এসেছে কী তার ঢল?
তুমি কার জলে, তোমার ভেজালে? ভাসালেই প্রেমাচল!
দেখেনিতো চেয়ে, এলোকেশী মেয়ে, আর কেউ ছিল তার
কী বিষাদে পুড়ে, তার বুক জুড়ে, কেঁদেছে বিরহী সেতার।
আমার তকেই ভাবা ভোর
চোখে শাপলা-শালুক ঘোর।
থাকুক শাপলা-শালুক ঘোর
থাকুক টুপ জেলেদের ভোর
থাকুক ছন্নছাড়া রাত
তর হাতের ভীতর হাত।থাকুক তর পায়েতে পা
তুই অন্যতো কেউ না।
তুমি হলে রোদ
হোক অবরোধ
শহরের মেঘে।তুমি হলে জল
স্নান অবিরল
তোমাকেই মেখে।আর যদি কেউ
হতে চায় ঢেউ
অবছাড়া চোখে।

ভেকে যাক আজ
অচেনা জাহাজ
তুমি নেই শোকে।

মুক্তো কী জানে, কী বেদনা পুষে রাখে ঝিনুক বুকে?
কতটুকু মেঘ ভার বৃষ্টি অসুখে!তুমি জানো কী, কতটুকু হয়ে গেলে আমি শূণ্য
তুমিও তোমার মতো হলে পূর্ণ।
কিছুটা মেঘের মতো ছাড়া যদি নামে
কিছুটা বিষাদ আসে বিকেলের খামে
সকালের মিহি রোদে, রাত হয়ে যায়
জেনে নিও, খুঁজে আর পাবে না আমায়।
বিকেল ঘুমিয়ে গেলে না ঘুমানো চোখ
জেগে থাক জানালায়, সন্ধা আসুক
বসুক খানিক পাশে লুকিয়ে অসুখ
রাত্রির কিছু তারা ব্যথায় খসুক।
রাত্রি ঘুমিয়ে গেলে না ঘুমানো ক্ষত
জেগে থাকা আকাশের তারার মত।কিছু নোনাজল জমা জানালা জানুক
অসুক লুকিয়ে রাখে মানুষের বুক।
শুনছো মেয়ে?
এই যে ধূসর মেঘের খামে, বর্ষা নামে
জমছে কত ফুলের রেণু চুলের ভাঁজে।
দখিন হাওয়া হঠাৎ এসে, আঁচল ভাসায় সুবাস মেখে
জলের কণা আলতো করে গাল ছুঁয়ে যায়।
ছুতে পারো, তুমিও খানিক?
শুনছো মেয়ে?
একটা চিঠি ঘুরে বেড়ায় এই শহরে, ঠিকানা নেই
সেই চিঠিটার বুকের ভেতর জমছে বথা সঙ্গোপনে
বাতাস ভারী দীর্ঘশ্বাসে, কি যায় আসে!শুনছো মেয়ে?
এই শহরে একটা বুকে
তোমার নামে সকাল, দুপুর, সন্ধ্যা নামে!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
x